ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম: ঈদের নামাজ, এছাড়াও সালাতুল ঈদ (আরবি: صلاة العيد‎‎) এবং সালাতুল ঈদাইন (আরবি: صلاة العيدين‎‎ নামেও পরিচিত, হচ্ছে একটি বিশেষ নামাজ, যা মুসলমানরা মূলত তাদের দুটি ধর্মীয় উৎসবের দিন আদায় করে। সাধারণত এটি বরাদ্দকৃত কোন খোলা জায়গা (মুসল্লা বা ঈদগাহ) অথবা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

মুসলমানদের যে দুটি উৎসবে বৃহৎ আকারে একত্রিত হয়ে এই নামাজ আদায় করা হয়, তা হলো:

ঈদুল ফিতর (আরবি: عيد الفطر‎‎), হিজরী সনের দশম মাস, শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে উদ্‌যাপন করা হয়।

জ্বিলহজ্জ মাসের দশম দিনে ঈদুল আযহা (আরবি: عيد الأضحى‎‎), হজ্জ তীর্থযাত্রার প্রধান দিন আরাফাতের দিনের পরবর্তী দিন হিজরী সনের দ্বাদশ মাস, উদ্‌যাপন করা হয়।

ঈদুল ফিতর – ইতিহাস, তারিখ, তাৎপর্য, করণীয়

পহেলা বৈশাখ ২০২২

Titanic Remembrance Day – April 15, 2022

Good Friday observance – April 15, 2022

National Farm Animals Day

ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করছি আপনারা ভালো আছেন । বন্ধুরা দেখতে দেখতে ঈদুল ফিতর সময় চলে এসেছে আমাদের মাঝে । দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের মাঝে এখনো অনেক আছে যারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম জানে না ।আজ আমরা আপনাদের মাঝে শেয়ার করব পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম । আজকের পোষ্টে যে সকল বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে আলোচনা করা হবে তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো ;

1.ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম

2.ঈদুল ফিতরের নামাজের খুতবা

3.ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

4.ঈদুল ফিতরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়

5.ঈদুল ফিতরের নামাজের আরবি নিয়ত

6.ঈদুল ফিতরের আরবি নিয়ত

 

ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম

ইমামের পেছনে কেবলামুখি হয়ে ঈদুল ফিতরের দু’রাকাত ওয়াজিব নামাজ ৬ তাকবিরের সঙ্গে আদায়া করছি- এরূপ নিয়ত করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত তুলে তাহরিমা বাঁধবে। তারপর সানা (সুবহানাকাল্লাহুম্মা…) পুরোটা পড়বে। এরপর আউযুবিল্লাহ এবং বিসমিল্লাহর আগে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে তাকবির বলবে। প্রথম দু’বার কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ছেড়ে দেবে।

কিন্তু তৃতীয়বার বলে হাত বেঁধে নেবে। প্রত্যেক তাকবিরের পর তিনবার সুবহানাল্লাহ বলা যায় পরিমাণ থামবে।

ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

তারপর আউযুবিল্লাহ এবং বিসমিল্লাহ পড়ে সূরায়ে ফাতেহার পরে একটা সূরা মেলাবে। এরপর রুকু, সিজদা করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবে। এবার অন্যান্য নামাজের মতো বিসমিল্লাহর পরে সূরা ফাতেহা পড়ে আরেকটা সূরা মেলাবে। তারপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলার মাধ্যমে তিনটা তাকবির সম্পন্ন করবে। এখানে প্রতি তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দেবে এবং চতুর্থবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত না বেঁধে রুকুতে চলে যাবে। এরপর সেজদা এবং আখেরি বৈঠক করে যথারীতি সালাম ফিরায়ে নামাজ শেষ করবে।

ঈদুল ফিতরের নামাজের খুতবা

ঈদের খুতবা শ্রবণ করা

ঈদের খুতবা বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। এতে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়ে থাকে। হজরত আবদুল্লাহ বিন সায়েব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি নবী করিম (সা.)-এর সঙ্গে ঈদ উদযাপন করলাম। যখন তিনি ঈদের নামাজ শেষ করলেন, বললেন, আমরা এখন খুতবা দেব। যার ভালো লাগে সে যেন বসে আর যে চলে যেতে চায় সে যেতে পারে। ’-আবু দাউদ: ১১৫৭

ঈদুল ফিতরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়

ঈদের জামাত সম্পর্কীয় মাসয়ালা

1-মাসয়ালা: ইমাম সাহেব জুমার মতো দু’টি খুতবা দেবেন। তবে জুমার খুতবা দেওয়া ফরজ আর ঈদের খুতবা দেওয়া সুন্নত। কিন্তু ঈদের খুতবা শুনা ওয়াজিব। ওই সময় কথাবার্তা, চলাফেরা, টাকা উঠানো ইত্যাদি যেকোনো কাজ নিষেধ।

2-মাসয়ালা: ঈদের নামাজের পূর্বে মহিলা হোক কিংবা পুরুষ, বাড়িতে কিংবা মসজিদে অথবা ঈদগাহে নফল নামাজ পড়া মাকরূহ।

3-মাসয়ালা: সম্ভব হলে এলাকার সবাই একস্থানে একত্রে ঈদের নামাজ পড়া উত্তম। তবে কয়েক জায়গায় পড়াও জায়েজ।

4-মাসয়ালা: ঈদের নামাজ না পড়তে পারলে কিংবা নামাজ নষ্ট হয়ে গেলে তার কাজা করতে হবে না, যেহেতু ঈদের নামাজের জন্য জামাত শর্ত। তবে বেশকিছু লোকের ঈদের নামাজ ছুটে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে তারা অন্য একজনকে ইমাম বানিয়ে নামাজ পড়তে পারবেন।

5-মাসয়ালা: ১ শাওয়ালের দ্বিপ্রহরের পূর্বে শরিয়তসম্মত কোনো কারণে ঈদের নামাজ না পড়তে পারলে শাওয়ালের ২ তারিখে পড়ার অনুমতি আছে। এরপর আর নামাজ পড়া যাবে না।

6-মাসয়ালা: কেউ ইমাম সাহেবকে দ্বিতীয় রাকাতে পেলে সালামের পর যখন ওই ব্যক্তি ছুটে যাওয়া রাকাতের (প্রথম রাকাত) জন্য দাঁড়াবে তখন প্রথমে সানা (সুবহানাকাল্লাহুম্মা), তারপর আউযুবিল্লাহ এবং বিসমিল্লাহ পড়ে ফাতেহা ও কেরাতের পর রুকুর পূর্বে তাকবির বলবে। ফাতেহার আগে নয়।

7-মাসয়ালা: ইমাম তাকবির ভুলে গেলে রুকুতে গিয়ে বলবে, রুকু ছেড়ে দাঁড়াবে না। তবে রুকু ছেড়ে দাঁড়িয়ে তাকবির বলে আবার রুকুতে গেলেও নামাজ নষ্ট হবে না। বেশি লোক হওয়ার কারণে সহু সিজদাও দিতে হবে না।

ঈদুল ফিতরের নামাজের আরবি নিয়ত

প্রিয় বন্ধুরা ঈদুল ফিতরের নামাজ এর আরবি নিয়ত আপনাদের সুবিধার্থে নিচে দেওয়া হলো ;

ঈদুল ফিতরের আরবি নিয়ত

নিয়ত :- নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতাই সালাতি ঈদিল ফিতর,মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

 

Thank you so much for reading this article on our websites www.googlesus.com & www.prothomalornews.com We hope you have found all the information you need from here and we are grateful to be able to provide this information. We will try our best to give you a proper answer. If you have any information about what you are looking for, tell us and we will find it very soon. And keep subscribing to the post below to stay with us. You will get the next updates. Thank you.

About Post Author

Leave a Comment

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: