নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের গ্রাম গুলো শহরে রুপান্তর হচ্ছে

 

গ্রামীণ অবকাঠামোর সুফল, গ্রাম হয়েছে শহর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করার। আর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে নীলফামারী-০৪ আসনের সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আবুল কালাম বারী পাইলট। যার চিত্র দেখা গেছে উপজেলার ০৯টি ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে।

২০২০-২১অর্থবছরে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে স্থানীয় সাংসদ আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপির দেয়া বিশেষ বরাদ্দ এবং সাধারন বরাদ্দকৃত কাবিটা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩১টি রাস্তা সংস্কার কাজ ইতিমধ্যে শেষ করা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নে প্রায় চারশত মিটারের মতো ০৪টি রাস্তার মাটি ভরাটসহ এইচবিবি করণ ও সিসি শলিং করণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

২০২০-২১ অথর্ বছরের গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এমপির দেয়া বিশেষ বরাদ্দ টি-আর ও কাবিটা এবং সাধারন বরাদ্দ কাবিটার অর্থায়নে উপজেলার ০৯টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩১টি অনুপোযোগী কাঁচা রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে কাদা মুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় জনপ্রতিধি ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকেও।

এ ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়া জামে মসজিদ থেকে ডিএস মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা সিসি করণ ও মাটি ভরাট, শালডাঙ্গা ওয়াতাজ শাহর বাড়ি হইতে ফজলু হাজির বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা এইচ বিবি করণ ও মাটি ভরাট, কালিকাপুর শালডাঙ্গা হাফিজিয়া মাদরাসা পাকা সড়ক থেকে লুৎফর মেম্বরের বাড়ি পর্যন্ত এইচ বিবি করণ ও মাটি ভরাট এবং সরকার পাড়া পাকা সড়ক থেকে আফছারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার এইচ বিবি করণ ও মাটি ভরাট কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়্ও নিতাই, বড়ভিটা, বাহাগিলী, মাগুড়া, চাঁদখানা ও কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নসহ অন্যান্য ইউনিয়নের রাস্তার সংস্কারকরণ কাজ হয়েছে দেখার মতো।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হাসনাত সরকার মুঠোফোনে বলেন, এমপি মহোদয়, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউএনও স্যারের পরামর্শক্রমে জনগনের সুবিধার্থে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে অনুপোযোগী রাস্তা গুলোকে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার ২০২০-২১ অর্থ বছরের বিশেষ ও সাধারণ টিআর-কাবিটার অর্থ দিয়ে এইসব রাস্তা এইচ বিবি করণ, সিসি করণ ও মাটি ভরাটের কাজ করা হয়েছে। এভাবে রাস্তা গুলো সংস্কার করায় গ্রামের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দুর হয়েছে বলে এই কর্মকর্তা জানান।

এসব রাস্তায় মাটি ভরাট, এইচ বিবি করণ এবং সিসি শলিং কাজ হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থাকবে না বলে জানান স্থানীয়রা। এলাকাবাসি জানায় বর্ষাকালীন সময় এই সব রাস্তা দিয়ে এক হাটু কাদা পানিতে চলাফেরার চরম ভোগান্তি ছিলো। স্থানীয় এমপি মহোদয় ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের উদ্দোগে রাস্তায় মাটি ভরাট ও ইট দিয়ে হিরোম বন্ড তৈরি হওয়ায় আর দূর্ভোগে পড়তে হবে না বলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পথচারীরা।

About Post Author

Leave a Comment

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: