ফরিদপুরের খেয়া ঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ এলাকাবাসীর

ফরিদপুরের খেয়া ঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ এলাকাবাসীর

ফরিদপুরের খেয়া ঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ এলাকাবাসীর : ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের খেয়া ঘাট নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর । গত ১৬ ই মার্চ ২য় পর্যায়ে বাংলা বছর আগামী ১৪৩০ সাল পর্যন্ত কবিরপুর- টেপুরাকান্দি ( সিএন্ডবি ঘাট) ইঞ্জিনচালিত নৌ ঘাট দরপত্র আহবান করে ফরিদপুরের সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা

একাধিক ঠিকাদার অংশ গ্রহণ করলেও সর্বনিন্ম দরদাতা হোন ফজল মাঝি। তিনি ৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় ঘাটের ইজারা পায় ১ বছরের জন্য।

স্থানীয় অভিযোগের সুত্র ধরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় , কবিরপুরের খেয়া ঘাটটি ইতিপূর্বেই চর পরে মরুভুমি হয়ে পড়েছে। চরাঞ্চলের জনগণের এক মাত্র যাতায়াতের মাধ্যম এই ইঞ্জিন চালিত নৌ ঘাটটি ।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোস্তফা ও ঐ এলাকার নুরুল মন্ডল , আলমাস মোল্লা , মো রাসেল জানান, কবিরপুরের খেয়া ঘাটের ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি অবৈধ । যেই ঘাটে বালুর চর পরে মরুভুমি হয়ে গেছে সেখানে কি করে ইজারা দেওয়া হয় আমাদের বোধগম্য নয় ।

এ বিষয়ে নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক কবিরপুরের খেয়া ঘাটটি চর পরেছে এর সত্যতা স্বীকার করে জানান , কবিরপুরের খেয়া ঘাটটি পাশের সত্যজিত এলাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইজারাদার ফজল মাঝি জানান, কবিরপুর খেয়া ঘাটটি চর পরে বন্ধ হয়ে গেছে সত্যি কিন্তু আমাদের পাশে সত্যজিতপুর এলাকার ঘাটটি ব্যবহার করছি ।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সি এ কামাল উদ্দিন জানান , কবিরপুর ঘাটটি চর পরে বন্ধ হয়ে গেছে টেন্ডারের পূর্বে ইজারাদার ও এলাকাবাসী আমাদের অবগত করেন নাই তাই এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই ।

এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান , কবিরপুর খেয়া ঘাটটি বালুর চর পরে এখন ফসলী জমিতে রুপান্তরিত হয়েছে। এই ঘাটটি ইজারা দেওয়ার কতটা বৈধতা রয়েছে এটা আমাদের প্রশ্ন ?

ছবি ক্যাপশন ঃ ফরিদপুরের কবিরপুর খেয়া ঘাট বালুর চর

নাজিম বকাউল , ফরিদপুর প্রতিনিধি

About Post Author

Leave a Comment

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: