জাতীয়

২০২৩ সালের মধ্যে দেশের মানুষকে পেনশনের আওতায় আনা হবে : প্রধানমন্ত্রী

Spread the love

 

২০২৩ সালের মধ্যে দেশের মানুষকে পেনশনের আওতায় আনা হবে : প্রধানমন্ত্রী   :  সরকার দেশের সব মানুষকে পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে । ইতোমধ্যে এ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথমে আইন প্রণয়ন পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত পেনশন অথরিটি সৃষ্টির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে অর্থ বিভাগের সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনবিষয়ক একটি উপস্থাপনা দেখার পর প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা আমাদের সময়কে এ তথ্য জানান

অতি দ্রুত সার্বজনীন পেনশন কার্যক্রম শুরু হবে। দেশের সব নাগরিক এবং দেশের বাইরে থাকা নাগরিকদের ২০৩০ সালের মধ্যে পেনশন স্কিমের আওতায় আনা হবে। আওয়ামী লীগের গত নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি যোগ করেছিলেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে বলেছেন তিনি। এ পেনশন পাওয়ার জন্য সবাইকে তাদের সাধ্য অনুযায়ী পেনশন অথরিটি অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা জমা রাখতে হবে। জমাকৃত টাকার সঙ্গে সরকার আরও কিছু যোগ করবে।বয়স ৬০ বছর পার হলে জমাকৃত পুরো টাকা পাবে সার্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতাভুক্তরা।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। আজ আমরা একটা সলিড আলোচনা করেছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হলোÑ যত দ্রুত সম্ভব এ কার্যক্রম শুরু করব। দেশের যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আছে এতে আমাদের হিসেবে প্রতীয়মান হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়েও প্রতীয়মান হয়, এটা আমরা করতে পারব। প্রথম দিকে আমরা ভলান্টারিভাবে করব। অর্থাৎ জোর করে এর আওতায় কাউকে আনব না। পর্যায়ক্রমে সব নাগরিককে আনব। তার পর, একজন ব্যক্তি যে টাকা দেবে একটা বৃহৎ পেনশন অ্যাকাউন্টে টাকাটা নেওয়া হবে। সেটা দেখভাল করার জন্য একটা পেনশন অথরিটি সৃষ্টি করা হবে। নিম্ন আয়ের মানুষও যেন এটিতে অংশগ্রহণ করতে পারে সেদিকটি বিবেচনায় থাকবে। কেউ যদি বেশি অর্থ দিয়ে অংশ নিতে চায় সেটাও করতে পারবে। তবে সর্বনিম্ন একটা অঙ্ক আমরা নির্ধারণ করব।

মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে যাতে সহজে একসেস করতে পারে, কোনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকবে না। এর ক্লিয়ারেন্স, ওর ক্লিয়ারেন্স এসব লাগবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এটা সহজ করে রাখতে হবে। প্রত্যেকে যাতে এতে অভ্যস্ত হতে পারে, ক্লিক দিয়ে ডিজিটালি যাতে ব্যবহার করতে পারে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে অতি দ্রুত আইনের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি নিয়ে এগোনো যায়। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিক এমনকি প্রবাসীদেরও এর আওতায় আনা হবে।

এমএ মান্নান বলেন, সরকারের তো পেনশন স্কিম আছে, অনেক সংস্থার নিজস্ব পেনশন স্কিম আছে। এগুলোকে আমরা সমন্বয় করব। কারও ওপর যেন অহেতুক চাপ সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে নজর থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
WAYS TO GET RID OF ALLERGIES WAYS TO STOP HAIR LOSS Eid SMS Greeting Poems EID Greetings Message Love SMS AIDS 2026 Football World Cup Airport Personal Injury Lawyers